কবিতাগুচ্ছ * অর্ণব সামন্ত
এই সেই মুহূর্ত
এই সেই মুহূর্ত যখন খন্ড চাঁদ পুষ্করিনীসমেত উঠে আসে
চালতার ফুলে চানঘাটে আর শিশিরে শিশিরে ভিজে যায় গুহা
অরণ্য অরণ্য সরিয়ে ভানুমতী দ্যাখায় তার খেল আলুথালু
জড়ায় মরালগ্রীবা নিষ্পেষণে নিপীড়নে শাসকের মাথা
চরম স্বাদালু বটে মৌচাকে ঢিল মেরে রসনাটি করে প্রসারিত
বাষ্প হয়ে উড়ে যায় তালরস কুয়াশা কাটে প্রখর দহনতাপে
সমুদ্রকে টানে মোহনায় নদীটি , সমুদ্রটিও ভীষণ অসহায়
চর্বনেচোষনেলেহনেপানে উদ্ভাসিত মেদমজ্জামাংসের শরীরে আলো
কোষে কোষে ভেজা বারুদের গান সীমান্ত ভাঙার দুরন্ত উল্লাস
মিল্কিওয়ে জুড়ে অজস্র নক্ষত্র সমাবেশ ভাঙা ভাঙা আশ্লেষ আদর
পুষ্টি তুলে আনে ঠোঁট জোড়ায় গভীর গভীরতর স্বাদে
দিগন্ত ভাঙার গানে হে যুগল এককের গানে যায় ছুটে
সোনার হরিণ সম্বল সেই দিনগুলি সোনালী কোলাজে মন্তাজে
তিলক কামোদ হয়ে উড়ে যায় বাগানের প্রজাপতি গোলাপ স্থলপদ্মে
কথা কে জিজ্ঞেস করে তৃপ্ত কথা , কি করে মেলালো সে ভৈরবী ইমন পূরবী ?
কি করে পিকাসোর বুকে বসালো রেমব্রান্ট সেজান ভ্যান গগ ?
কিভাবে উৎসের দিকে ফিরে হয়ে গেল ভীষণ তুমুল অবগাহন ?
মুহূর্তকে করে গেল অনন্ত দ্রাঘিমার কাব্য উপন্যাসের দ্বন্দ্বসমেত
এই সেই মুহূর্ত যখন চাঁদ হয় অখন্ড জলছবি চাঁদে চাঁদে সংঘর্ষ নির্মাণে
অপত্য আলো গড়ায় আআকাশরসাতল সুগভীর অবগাহনে !
একটি সংস্কারমুক্ত কবিতা
সংস্কার উবে যায় কর্পূরের মতন
নির্ভেজাল প্রাণের আরতী হে দেবী সম্মুখে তোর
জন্মজন্মান্তরের ঋণ সরে গিয়ে প্রথম আলো , প্রথম শব্দ
সৃজনের পরমুহূর্তেই ঘটে যায় পরম প্রমাদ চরম প্রলয়
কোষে কোষে ভেজা বারুদ , স্নায়ুতে স্নায়ুতে বিদ্যুচ্চমক উদ্বেলতা
রক্তে রক্তে চলকানি কূলভাঙার , নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে সেই নাম জপ
পাহাড় পর্বত উপত্যকায় ডুবসাঁতার পেরিয়ে মোহনায় ভাসানের গান
বিন্দাস হর্ষিত জীবন উল্লাসে উল্লাসে চমৎকার ! সংস্কার খুলে রাখা পোশাকের মতন দেশকালপাত্রহীন কুশীলব
হে জীবননাট্যে পরম ধ্রুপদী নৃত্য সুব্রতাসম্ভব সহজ গান
দহনে দোহনে নির্যাস ও নিঙড়ে নেওয়া সারাৎসার ভাঙা ভাঙা কথা
সমস্তই কবিতা তখন , সমস্তই সহজিয়া সহজতম গান বিসর্জনে বোধনের ডাক , পূরবীতে বেজে ওঠা ভৈরবী সুর
ভাবে পুরো সম্মোহিত , ভঙ্গিতে ভাঙনের নেশা তৎপর নির্মাণে
আরশি বদল হয় দিবারাত্রির কাব্যে
পারস্পরিক আরশিতে পারস্পরিক আবিষ্কার দ্রাঘিমা ফুঁড়ে চলে যায় জীবনের চলছবি
সুমেরু কুমেরু শূন্য দূরত্বে চৌম্বকীয় মায়ামোহ জাদু মেনে
এভাবেই বুঝি পরিত্রাণ মেলে , মুক্তি মেলে এককের সহজ গানে । এভাবেই বুঝি সফল ডুবসাঁতার , উড়ান , বিদ্যুচ্চমকে ঝংকারে !
নবজন্ম , সেই জলসাঘর
দিবারাত্রি কাব্যে অনন্ত একবার ফিরি সেই জলসাঘরে
অজন্তা ইলোরা আলতামিরার কারুকার্য লেগে আছে সারা গায়
ভালোবাসার আদরে আদরে ৩৬ রাগ রাগিনী বেজেছে স্বতঃস্ফূর্ত
স্নায়ুর উদ্দীপনায় জাগ্রত মোৎসার্ট আমজাদ আলি আকবর বিসমিল্লা বলে গোলাম আলি
আসলে সে কত্থক ভারতনাট্যম ওড়িশি কুচিপুড়ি মোহিনীআট্টম
রমণে রমণে পারিজাত ফুটে যায় চতুর্দিকে স্বর্গ স্বর্গ স্বর্গ স্বর্গ করে
স্বর্গ সুখ সত্তায় সিঁধোয় দহনে দহনে কষ্ট কষ্ট সুধাপানে
রোমে রোমে মহাকাব্য তুচ্ছাতিতুচ্ছ লাগে এ যাবৎ কাব্য বিস্ফোরণ
গান হয়ে যায় স্রোতস্বিনীর দুরন্ত স্রোত ও শরীর অপলক ছবি দ্যাখে আরশি , দেখায় প্রিয়তম মানুষটিকে
আরশির অচেনা লাগে নিজেকে তাই প্রতিবিম্বকে ডেকে নেয় বুকে
এ কবিতা শেষ হবার নয় এ গান , এ নৃত্য , এ ছবি চিরকালীন
এ জীবন সান্ত হবার নয় অনন্ত দ্রাঘিমার অভিসারে রাখে
জীবনের চেয়েও বেশি জীবন , যাপনের চেয়েও বেশি যাপন
এস দিবা এস রাত্রি এস কাব্য এসব গদ্য মুক্তকথনে কাব্যে গানে
এসো জীবনের চলছবিতে , অপরূপ নৃত্যশীল ভাব ও ভঙ্গিমায়
সমাধির পরে মানুষ জেগে উঠলে মৃত্যুর পর হেঁটে ফিরে জ্বল জ্বল আগুন
উজ্জ্বলতম কবিতার জন্ম দিয়ে সে নিজেই আলো হয়ে যায়
সে হয় প্রথম আলো , সে হয় প্রথম শব্দ , বিস্ফোরণ সে হয় আকাশ বাতাস মেদিনী , সে অপরূপ ত্রিভুবন
বারংবার ফিরে আসি সেই জলসাঘরে মৃত্যু , জন্মের বিবর্তনে
তুমি দেখি জেব্রায় আছো , তুমি দেখি নির্ভেজাল নির্বিকল্প উত্থানে
একটি সহজ গানের মতন , একটি সহজ কবিতার মতন
জীবনকে দিয়েছ জীবনের চেয়েও বেশি জলসাঘর এভাবেই এক জন্মেই হাজার জন্ম ঝরে , ফোটে কুসুম কিংবা আলোর মতন !
লক্ষ আমি , খননে খননে
এইভাবে খননে খননে হাজার রূপের রত্নরাশি
লাবণ্য চলকে পড়া আঁচল এবং মাধ্যাকর্ষণ
ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া অভাব , অসম্পূর্ণতার কথা ভঙ্গিতে ফোটানো লক্ষ কুসুম ঘাতকপ্রবণ
এসো আজ বদলে বদলে দেওয়া যাক দ্রাঘিমা
এসো বদলে বদলে দেওয়া হোক অক্ষরেখা
কামনাকুসুম বাসনাবৈভব প্রস্ফুটনে , বিস্ফোরণে
জেনে নেওয়ার সুযোগ থাকুক হাঁড়ির খবরের সত্যিকারের ভিত্তিভূমি কতটা সবল কতটা সক্ষম
আর কিভাবেই আসে শ্রমিকের অর্জিত ফসল তারপর কেঁচো খুঁড়তে কেউটে নাকি কয়লা খুঁড়তে সোনা
বেরিয়ে আসার পরই বিশাল চাউর হয় মুখরোচক গল্পগুলি
দ্বন্দ্ব সংঘর্ষ পেরিয়েই উপন্যাসের চলন শুরু
কিছুটা নাটকীয়তা বুকের মধ্যে রেখে কবিতা বুক চাপড়ে কাঁদে
অন্যের আরশিতে দেখা যায় নিজের মুখ
নতুনতর সৃজনের পরিবর্তে ধ্বংসের আহ্বান আসে এইভাবে দুমড়ে চুমড়ে নিঙড়ে হাজার হাজার
ভাঙা আমির নির্যাস তোমাকে দিলেই তুমি
বুঝে যাও অন্যকে খননের ছলে মূলতঃ নিজেকে ঘুরিয়ে দ্যাখা , ফিরিয়ে দ্যাখা , নিত্যনতুন আবিষ্কার আর তোমার আরশিতে দ্যাখা লক্ষ্য আমির বসবাস কবিতা পরিবর্তনের দ্রাঘিমা সঙ্গে রেখে দ্রাঘিমা পেরোয়
বিবর্তনে বিবর্তনে কখন যে হয়ে যায় জীবনের চেয়েও বেশি জীবনের সহজ গান !
ওগো মানুষী , সহজ গান হয়ে এসো
সহজ গান হয়ে এসো অকারণ অচানক
সে চানঘরে গান হতে পারে কিংবা অরণ্যে পাখির গান
অথবা ভাটিয়ালি ভাওয়াইয়া গেয়ে ভাসাতে পারে পানসি
ভাসাতে পারে যাতে সে হতে পারে স্বচ্ছতোয়া নদী নৌকাও লজ্জা পেয়ে ফিরে আসতে পারে প্রতিবিম্বসমেত
ফিরে আসার আবেগ নদীর রূপের লাবণ্যের আবেশ মোহময় মায়াময় আবেশ তাকে ঘিরে রাখতে পারে তাকে পুরোপুরি সম্মোহন না বলে মেসমেরিজম বলা যেতে পারে
আর সেই গান তাকে জ্বালাতে পারে চানঘরে ,
নির্জন সৈকতে ঝাউবনের দোয়ার্কি সহযোগে , ঘিঞ্জি ব্যস্ততার মধ্যেও ,
নয়নে নষ্ট ধ্রুবতারা দেখতে দেখতে চারুলতার নষ্টনীড় জাগতে পারে
সর্বোপরি সহজ গান হবার জন্য শুধু অনাবৃত তরতাজা রূপলাবণ্য নয়
বিশুদ্ধ ভাবভঙ্গিরও প্রয়োজন হতে পারে বিশুদ্ধ কবিতার মতন
কোষে কোষে উঠতে পারে তিলক কামোদ , স্নায়ুতে স্নায়ুতে মোৎসার্ট সিম্ফনি
ধমনী শিরায় বইতে পারে রক্ত ছলাৎছল ঢেউয়ের মতন
সফেন জীবন ডেকে নিতে পারে রোদ্দুরে কিংবা জ্যোৎস্নায়
সফেন শব্দের জন্য ঢেউয়ের দরকার তা' পুকুর নদী বা সমুদ্রের হোক
সহজ গান হিসেবে জীবনকে বারংবার দেখতে ইচ্ছে করে
তাতে না মেটে ভালোবাসার খেদ খিদে তবু কামনা সঞ্জায়তে কামনামের মতন
বাড়তে পারে অগ্নিশিখা দাউ দাউ করে -- তাতে কিছুটা মরুভূমি মেলে
কিছুটা হাহাকার , কিছুটা অতৃপ্তি , কিছুটা বাসনা জাগতে পারে
তবু তুমি গভীর গহীনের জলে যাও ডয়টেরিয়ামের জল হয়ে
ঘূর্ণিজল আস্বাদন করুক মারিয়ানা খাতের সুধা এভারেস্টের দম্ভকে সহজ , প্রশমিত করুক আদরে আদরে
উর্বর করে দিক পৃথিবীর মনোভূমি আবাদে আবাদে সোনা
নগর মফসসলে নির্ভেজাল ভালোবাসা এক তাড়া করুক
নৈঃশব্দ্যে , ভিড়ে , কথোপকথনের একাকিত্বে , আত্মকথনের বহুত্বে
সহজ গান হয়ে ভেসে এসো মঙ্গলকাব্যের গানে , কীর্তনে , পল্লীগানে , লোকায়ত সুরে
কথ্যভাষায় নামুক কবিতার ছন্দ শব্দ বিদ্যুচ্চমকের সূচনা উপসংহার
সরলতম হৃদয়রেখায় প্রতিধ্বনিত হোক সহজতম গানের সুর
পৃথিবী আকুল হোক ভেসে যেতে ডুবে যেতে অমল ভাসানে , নিমজ্জনে
ওগো মানুষী , ওগো নদী সহজ গান হয়ে এসো অনন্ত দ্রাঘিমা ধরে
কবিতার চেয়েও বেশি কবিতায় , গানের চেয়েও বেশি গানে , জীবনের চেয়েও বেশি জীবনে !
মেঘযুবতী , সহজ গান
আদুরে গান ভেসে আসে বাতাসে বাতাসে
মেঘযুবতীর স্তরীভূত মেঘ খুলে যায় স্তরে স্তরে
রূপ ভাঙে , লাবণ্য ভাঙে , ছন্দ ভাঙে , শব্দ ভাঙে নৈঃশব্দ্যে প্রেম ওড়ে প্রথম আলোয় প্রথম ভালোবাসায়
রঙ ভাঙে , সুর ভাঙে ভাঙতে ভাঙতে সহজ নির্মাণ নিজেই টের পায়না মেঘযুবতী কখন সে হয়ে গ্যাছে সহজ গান
সে হয়েছে সহজ গান চানঘরে , নির্জন দ্বীপে , যত্রতত্র
সুধায় সুধায় ছাপিয়েছে সংস্কারের বাধা ঘর
পৃথিবী তাকে চায় বলে পৃথিবীকে করেছে আলিঙ্গন
তাকে দিয়েছে রমণ সুখ , দিয়েছে অপত্য পৃথিবীর আলো , জন্ম
গানময় হয়ে গেছে মেঘযুবতীর শরীর , মন , সত্তা
কে বসাবে গানের জলসাঘর রাগরাগিনীর সুরঝংকারে
বিদ্যুচ্চমকে বিদ্যুচ্চমকে চলে যাবে জীবনের চেয়েও বেশি জীবনে ?
রোমে রোমে ভাবেভঙ্গিতে কোটি কোটি গানের মূর্চ্ছনা
গায়ক নিজেই হয়েছে মূর্চ্ছিত সে গানের রোমাঞ্চের সঞ্চারীতে !
জ্যোৎস্নার ঋণ
বারংবার ছুটে গেছি জ্যোৎস্নার ঋণে স্বরবর্ণ স্থাপনে অরণ্য আদিম ডেকেছে তার গুহাপথে অজন্তা ইলোরায়
দুরন্ত বাইসন ছুটে গেছে আলতামিরার সৌন্দর্যে , লাবণ্যে
আবেগে আশ্লেষে দীর্ঘশ্বাসে নদী সহজাতভাবে
সহজ গানের সহজিয়া সুর নিয়ে উচ্ছল হয়েছে পাহাড় পর্বত উপত্যকা মালভূমি সমভূমি পেরিয়ে
ঝপাং পড়েছে মোহনার মারিয়ানা খাতে অকথ্য হর্ষে জীবন পেয়েছে সাফল্যের এভারেস্ট তুষারশুভ্রতা নীলিমাসমেত
বারংবার ছুটে গেছি জ্যোৎস্নার ঋণে জ্যোৎস্না সম্প্রপাতে
রক্তমেদমজ্জাস্নায়ু সম্ভারে জ্বলেছে আলো অমলিন জীবনকে করেছে উজ্জীবিত , মরণকে করেছে জীবনের চেয়েও বেশি জীবন্ত
তুমি এসে হাত ধরো , আরশিতে দেখতে দাও আমিকে আমার মতন
আমাকে আরশি করে তুমি তোমাকে দ্যাখো তোমার মতন
ঘুরেফিরে সেই অমল জ্যোৎস্নার স্নিগ্ধতা দীপ্যমানতা বহমান ....
সুব্রতাসম্ভব , সহজ গান
দ্রাঘিমাও থমকে , স্থির পরিপ্রেক্ষিতে আকাশের বুক
সুখ-দুঃখ সামলে রাখে আষ্টেপৃষ্ঠে জন্ম জন্মান্তরের ঋণ
ঢেউয়ে ঢেউয়ে দোলে স্রোতস্বিনী পিছুতে ভালবাসা নাছোড়
আজীবন মরণ মুহুর্মুহু তবু জীবনের চেয়েও বেশি জীবন
যাপনে আনো মধুরিমা , সৌন্দর্য , মন্ত্রমুগ্ধতা , সম্মোহন
একই সঙ্গে সৃজন প্রলয় আবার জীবনের অসীম বিস্তার
নয়নতারায় প্রথম আলো , জিবে প্রথম শব্দ
অনন্ত অভিসার , যৌন সুখ , ব্ল্যাকহোল থেকে প্রথম প্রসব যন্ত্রণা
অক্ষরে অক্ষরে স্বরবর্ণ স্থাপনা , রঙিন ব্যঞ্জনবর্ণের অভিব্যক্তি
বিবর্তন ডেকে আনো চলনে , বলনে , ব্যবহারে
বিষুবরেখায় রাখো সুব্রতাসম্ভব সহজ গান কর্কটক্রান্তি , মকরক্রান্তিতে প্রেমের অধিক বিরহ যাপন
সুমেরু কুমেরু মিশে যায় একবিন্দুতে সিন্ধুসম্ভব উচ্ছল রাগরাগিনীতে
অনন্ত দ্রাঘিমা জুড়ে শুধু বেঁচে থাকে এক জীবনের জন্যে অন্য জীবনের কামনাবাসনা
এককের ঝংকারে মাধ্যাকর্ষণ অগ্রাহ্য করে ছুটে যায় এক অবাধ অবাধ্য সহজ কবিতা , সহজ গান
সুব্রতাসম্ভব যাপনে রাখে জীবনের চেয়েও বেশি জীবন !
******************************************************************
ইংরাজী ভাষার ছাত্র। ইংরাজীতে এম. এ ; বি . এড ।উনিশশো তিয়াত্তর সালে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাসন্তীতে জন্মালেও স্কুল জীবনের পর থেকে শহরতলীতে আবাস । শিক্ষকতা পেশা , নেশা কবিতা লেখা । এ পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ , ৪টি - গোলাপ এবং , ঝরা সময়ের উপকথা , পারমিতা , বামাক্ষী । পেশাগত সময় বাদে গান শোনা , বইপড়া , ফোটোগ্রাফি , কবিতা লেখাকেই জীবন যাপনের একমাত্র উপায় বলে মনে করেন।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন