সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

চন্দন রায়





গৌরীশঙ্কর দে

চন্দন রায়


ভালবাসার পাঁচিল বেয়ে দীর্ঘ যাত্রা পথ আমাদের।

আমার ভাল লাগে না ওর সম্পর্কে কিছু লিখতে।

যন্ত্রণা হয়। ওর পরিবারের সাথে ওর স্ত্রী নূপুর 

আমার খুব পরিচিত। ওর মা-বাবা আমার কাছের।

আমি দেখেছি । ওর মাকে দেখেছি কী ভাবে তার

ভালবাসার মুখে ভাত তুলে দিচ্ছে। পরম তৃপ্তির সেই দৃশ্য

কবিতার মতন গিলে খায় সমস্ত শরীর।


১৯৮৪ প্রথম পরিচয় দেশ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশ নিয়ে।

আমরা জেগে ছিলাম। আমরা তুল্কামাল ছিলাম। আমরা

পৃথিবীর ঐশ্বর্য ছিলাম।  কবিতায় তুমুল আলোড়ন আমরা । 

বুকের ভেতর থেকে তীব্র দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে—

তুই শালা এতো তাড়াতাড়ি আমাকে ছেড়ে চলে গেলি। 

এটা তোর চরিত্রের সাথে মেলে না। তুই উদ্দাম । তুই কবিতার

ঈশ্বর। তুই ভালবাসার একমাত্র অধীশ্বর। তুই চলে গেছিস

বলে প্রণাম জানাব না, —

বরং বলব আর অনেকটা সময় পৃথিবীকে নিজের মতো করে

দেখতে পারতিস....

ভালবাসা নিস। তুই থাক, আমি আসছি...



#########################################

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন