বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

শুভশ্রী রায়




শুভশ্রী রায় * দুটি কবিতা 

ঘুরণের জাদুকর


শুভ্র আর বন্ধুবান্ধব জুটিয়ে ক্রিকেট খেলে না,

বলটা পাঁচিলের বাইরে চলে গেলে রাস্তার লোকজনকে ডেকে 

বলে না-

"কাকু, বলটা একটু দাও তো!"


সে এখন কেন্দ্রের কর্মচারী 

গাম্ভীর্য এসেছে অনেক।

তবু কখনো কখনো একটি কিশোরকে দেখতে পাই-

স্পিনের কারিগর গোলকটিকে নিখুঁত ঘোরাচ্ছে,

চারপাশে দাঁড়িয়ে তারিফ করছে পাড়াসুদ্ধু বালক;

ওপর থেকে দেখে আমাদেরই মাথা বনবন ঘোরে!


এমন করেই তো চিরকাল ঘুরছে সময়

এভাবেই সে একেকটি দুরন্ত বালককে

দায়িত্ববান যুবকে পরিণত করে;

পড়ে থাকে অতীতের চঞ্চল মুহূর্তগুলো....

হঠাৎ একেকটি পলের ভেতর থেকে সম্মোহক লাল বল

 ঘোরাতে ঘোরাতে ছুটে আসে ফুটফুটে শুভ্র আমাদের।


স্পিনের জাদুকর সময়কে ঘুরিয়েই চলেছে!











জন্ম-শাপ


ছোট্ট আমাকে বাবা খুব মারত,

ছেলে না হওয়ার হতাশা থেকে প্রতি দিন পৈতৃক মার

কেউ আটকাতে চাইত না।


সুযোগ পেলেই দূর থেকে মার উপভোগ করত

থান পরা পিসি,

কাম মেটেনি তার, সংসার করার প্রবল বাসনা চরিতার্থ হয়নি;

বাচ্চা মেয়েটা ক্রমাগত মারধর খাচ্ছে দেখে সে কি বিকৃত 

আনন্দের বন্যা পিসির চোখেমুখে!


মার খেতে খেতে এক দিন আমি বড় হয়ে গেলাম,

ক্রমে ক্রমে প্রতিরোধও শিখলাম;

হিংসাময়ী পিসি মিলিয়ে গেলেন ধূসরলোকে।


পিসির জন্য আমার প্রার্থনা- সামনের জন্মে তুমি পাখি হয়ে এসো,

অবিরত মুক্তির ডানা মেলে

জীবনের সর্বত্র অনাবিল খেলাধুলো কোরো।












**********************************************************************************************

সন্দীপ ঘোষ




সন্দীপ ঘোষ * দুটি কবিতা 


প্রথম কদম ফুল 


যেদিকেই দেখি নাগাড়ে বর্ষণ

ভাসছিই আর ভাসছি

গন্তব্য কোথায় জানা নেই

অশ্রুপ্লাবন বইছে দু'কুল ছাপিয়ে।


কোথায় গেল সেই বাদলা দিনের প্রথম কদম ফুল?

হৃদয়ে ধারণ করে এতগুলো বছর 

এক কদম দু'কদম করে এগিয়ে চলার পরীক্ষা 

সমানতালে আজও চলছে।


ভরা বাদলেও স্নিগ্ধতা হারিয়ে ম্লান কদমফুল

নেই জৌলুস, পাপড়িগুলো খসে পড়েছে।

যুঝতে যুঝতে এক একটা বাদলা দিন কেটে যায়, 

টানাপোড়েন যেন এক নিত্যনৈমিত্তিক অনুশীলন।


তবু তারই মাঝে একটু আলো

এসো না আর একবার আঁকড়ে ধরি

বাদল দিনে প্রথম কদম ফুল,

মিলবেই  হৃদয়ের ঠিকানা।

            











এক্সেস অফ ফ্লো

 

বুকে ভীষণ বাজে 

তোমার ঐ কষ্টের অনুভূতি

দেখাবার জো টি নেই। 


যত সময় গড়ায়

চড়চড়িয়ে বাড়তে থাকে উত্তাপের পারদ। 

বদলে যায় তোমার শরীরের ভাষা। 

অসহ্য হয়ে ওঠে 

এক্সেস অফ ফ্লো- এর চাপ। 


আমি এক কোণে দাঁড়িয়ে 

নিজের তলপেটে হাত বুলাই, 

অন্তর কুঁকড়ে ওঠে অনুভবে। 

কিভাবে বোঝাই তোমায়? 


চেঞ্জ করতে হবে

চোখ মুছতে মুছতে শীর্ণকায় দেহটা যায় স্নানাগারে। 

ক্লটের পর ক্লট জড়ো হয়

উপচে উঠে টইটম্বুর রজঃপট

পিরিয়ড যেন বিদ্রোহী হয়ে ওঠে 

এক্সেস অফ ফ্লো ছেড়ে কথা বলে না। 


আমার ভেতরের নীল আকাশটা 

কালো মেঘে ছেয়ে যায়, 

বৃষ্টি নামল বলে! 




















***********************************************************************************************



     সন্দীপ ঘোষ


জন্ম-06/01/1975, তালডাংরা, বাঁকুড়া থেকে লিখছেন।  বানিজ্যে স্নাতক । ছাত্র বয়স থেকেই লেখার নেশা। তবে, প্রকৃত লেখালেখি শুরু বিভিন্ন দৈনিক সংবাদ পত্রের পাঠকের কলম বিভাগে । রেডিও -টিভিতে চিঠি পাঠানোর অদম্য নেশা । জীবনের টানাপোড়েনে সাময়িক বিরতি । 2016'সালে দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকায় পাঠকের কলম বিভাগে আবার লেখা শুরু। প্রথম গল্প প্রকাশ পায় বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া থেকে প্রকাশিত ছোটদের জন্য 'সেতু জুনিয়ার 4 ' গল্প সংকলনে, গল্পের নাম 'পাঁচু দাদুর বাগান'। এছাড়াও বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় গল্প-কবিতা- প্রবন্ধ প্রকাশ। ভালো বাসেন নিজের লেখা গানে সুর করতে ।

             

প্রাণজি বসাক

 



প্রাণজি বসাক * দুটি কবিতা 

গুণ ভাগ


যেকোনো বক্তব্যই খোরাক হতে পারে এসময়ে 

লোকটা সারাদিন রোদে ভিজেছে বক্তব্যহীন

সরে যাবার সময় লোকটা ছাতা ভুলে গেছে 

কাকে দোষ দেবে দেদার বাহানা ছড়িয়ে আছে 


চারদিক থেকে চাহনি চাহত আহত গুণন ভাগে

কবেই তুমি পাটীগণিত পাঠে ঐকিক নিয়মে এলে

সরল অংকের মাঝে কখন যে কুয়াশা জমে ওঠে 

ঘাম বিন্দু তাৎক্ষণিক অর্থে বাগানে সৌরভ তখন 






সত্য চেতনা


বলতে পারি আবার বলতেও পারি না মিথ্যেটা

হারিয়ে যাওয়া সত্যকে কোথায় খুঁজে পাই এখন


কে তাকে কোথায় সেফভোল্টে রেখেছে অন্ধকারে

নাকি সে নিজেই সরে পড়েছে অবক্ষয় থেকে দূরে


সমাজ এখন অন্ধ - শুধু হাসিল কর দ্রুতগতিতে

যত পারো দংশন কর   কি যায় আসে জীবনেতে


খোলস ভেঙে মুখোশ ভেঙে বের করে আনো সত্য

এঁকে দাও সত্যবোধ উদ্বুদ্ধ হোক সমগ্র লব্ধ চেতনা 



************************************************************************************






প্রাণজি বসাক



India Book of Records 2026 holder

“Longest Bengali poem written by an individual” 


বাংলা ভাষার প্রখ্যাত ভারতীয় কবি প্রাণজি বসাক বিগত পাঁচ দশক ধরে কবিতাচর্চায় নিয়োজিত। এই মানুষটি আদ্যোপান্ত বাংলা কবিতায় ডুবে থাকতে ভালোবাসেন।প্রায় ৪৬ বছর ধরে  দিল্লিপ্রবাসী।  তিনি ৩১ টি কাব্যগ্রন্থ, ২ টি গল্পগ্রন্থ / রম্যরচনার বইসহ মোট ৩৩ টি গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং সম্পাদনা করেছেন ২ টি কবিতা সংকলন।তাঁর একাধিক কাব্যগ্রন্থে মানবধর্মী ভাবনা, সমাজ চেতনা ও মুক্তির খোঁজ পাওয়া যায়। কবি প্রাণজি বসাকের কবিতার স্বতন্ত্র ভাষা, বুনন ও বাচনভঙ্গি অন্য কবিদের থেকে ভিন্নতা এনে দেয়। দিল্লির বাংলা সাহিত্য আন্দোলনের শরিক হিসেবে কবি প্রাণজি বসাক সেখানকার কবিদের কবিতা নিয়ে সম্পাদনা করেছেন -  দিল্লি হাটার্স কবিতা সংকলন ও দিল্লির নির্বাচিত বাংলা কবিতা। এই দুটি সংকলন থেকে পাঠক দিল্লিতে বাংলা কাব্যচর্চা  সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা করতে পারেন। বাংলা কবিতা নিয়ে তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রদেশসহ বাংলাদেশ ও  ইউরোপ ভ্রমণ করেছেন বেশ কয়েকবার। কবিতার প্রতি তীব্র ভালোবাসায় তাঁর নিজস্ব এবং সাবলীল উচ্চারণ - জয় বাংলাকবিতা জয়। 

বিভিন্ন সময়ে পেয়েছেন সাহিত্য সন্মান ও পুরস্কার। 

আন্তর্জাতিক রূপসী বাংলা পুরস্কার, বনানী পুরস্কার , ভারত- বাংলাদেশ সাহিত্য সংহতি পুরস্কার, শৃন্বন্তু সারস্বত সম্মান, উত্তর বাংলা পদক, তিনবাংলা সম্মাননা, খড়গপুর বইমেলা সম্মাননা ২০২২, ডাঃ রূদ্রকুমার ঈশ্বরারী স্মৃতি সম্মাননা পুরস্কার ২০২২-২৩, দূরের খেয়া জয়াপদ ভট্টাচার্য স্মারক কবিতা পুরস্কার ২০২৩, অর্কিড সৃজনী সম্মান ২০২৫ এবং বাসভূমি জীবনকৃতি পুরস্কার ২০২৫। 








বিরথ চন্দ্র মণ্ডল




ওঠুন এবং বাঁধ 

বিরথ চন্দ্র মণ্ডল 


প্রত্যেক ওঠোনের আটপৌরে 

সৃজন কথা আছে ।প্রয়োজন শক্ত 

পোক্ত বাঁধ, .বাঁধের সঠিক সময় নির্নয় ও 

আশ্চর্য্য ব্যাপার । সময় পেরোলেই, জলের

 মতো ঢালুতে গড়ায় ।


তোমার সমীকরণ সুত্রে 

সমুদ্রের কান্না থামে ,মৌনতা ভাঙে ।

মহাশূন্যে ভেসে যায় ক্রোমোজোম নারী ।

চারপাশ ছড়িয়ে ছিটানো হরিদ্রাভ রঙ ..

ধেয়ে আসছে নির্ঘাত প্লাবন ।

অথচ তাথৈ মুদ্রার ভঙ্গিতে স্বপ্নেরা

 ঘাই মারছে বালির চাতরে ....


তুমি এক নির্লিপ্ত জোনাকি ....

ঝড়ের মুখে আপৃষ্টে লেপ্টে থাকার 

মহৎ বৃক্ষ খুঁজে চলো...












*****************************************************************************


সুশান্ত সাহা





সুশান্ত সাহা * দুটি কবিতা 

আঘাত করো 


আঘাত করো,বড় আঘাত করো তুমি।

কথায়,ভাষায় শুধু তোমার আক্ষেপ....

না পাওয়ার আশ্লেষ

তুমিকি ভাবো আমার কথা।

আমার চাওয়া পাওয়া সংক্ষেপ করেছি কত....

সংক্ষেপ করতে শেখো তুমিও আরও আরও...

নাহলে কি করে হবো ভাবনায় সবার আগামী...?













শূন্য 


শুন্যের মধ্যে শূন্যতাই বেশি।

সব সময় তাগাদা দিতে থাকে তোমায়..।

তুমি মন দিয়ে শোনোই না....

শুনলে পরে এত অট্টালিকা, রোদের দহন হয় কী করে?

মনে রাখবে শূন্যতাই সাথে থাকে সবসময় সকলের।

শুন্যের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে গভীর ভালোবাসা...

তুমি নির্বিকার হয়ে ছুঁতে পারবে তাকে।

নির্দ্বিধায় নিশ্চিন্তে...













**********************************************************************************************

কেতকী বসু

 




কেতকী বসু * দুটি কবিতা 

দাবানল 



পাশের ঘরে আলো নিভে যাওয়ার পর
আমি খুলে রাখি সমস্ত দরজা 
লাল নীল সবুজের আলো এসে পড়ে আমার ঘরে
চকমকি আলোয় দুচোখ বন্ধ হয়ে আসে
আলোর তীব্রতায় হারিয়ে ফেলি নিজের ঠিকানা
সময় গুলো পার হয়ে যায় আমার অজান্তে
একটা ভুল সময়ের সাথে সময় কাটার পর
অপেক্ষা করি নিজের ঘরে আলো জ্বলার
জানতে চেষ্টা করি আলোর উৎস

প্রচুর জল এনে নেভানোর পর 
জানতে পারি দাবানলে পুড়ছে সবকিছু
মায়া হয় গাছ পশু আর পাখিদের জন্য
আপন নিয়মে বেড়ে ওঠা গাছেদের কথা
শুনেছিলাম কোনো এক কাঠুরিয়ার কাছে
কিন্তু দাবানলে সব কিছু আজ
শেষ হয়ে যাচ্ছে নিমেষে চোখের সামনে।

















বিকেলের ফুল


দল বেঁধে আলোর ঠিকানা খুঁজতে গেলে 
গোল বাঁধে হাজার ঝামেলার 
উঁচু নিচু ছোট বড় হাজার গন্ডি পেরিয়ে 
আলো খুঁজে পেলেও কম হয় আন্তরিকতায় 
অজস্ৰ চিন্তার ভাঁজ ফুটে ওঠে চোখে মুখে 
কপালের রেখা গুলো বলে দেয় সময় শেষ হচ্ছে 
মুছে যাচ্ছে ভালো মন্দের হিসেব 
হৃদয় তন্ত্রীতে তখন গুন গুন স্বর বাজে
নিয়ম অনিয়মের সথে স্বক্ষতা না থাকলে 
দক্ষতা অর্জন করা ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই নয় 
এসব এখন স্বচ্ছতার সাথে বহুল প্রচারিত 

সময়ের কড়া অনুশাসন ঘিরে থাকে অতন্দ্র প্রহরায়
ছিন্ন হয় মানবতা নৈতিকতা এমনকি শালীনতাও
ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে যে কজন আজ বন্দি 
তারাও জেনে যাবে কেন বড় গাড়িটা চাপা দিয়েছিল  কোন এক শিল্পীর গাড়িকে
আর তার বুকের ওপর লেখা ছিল হাজার কবিতা।





**************************************************************************************************************




                             কেতকী বসু


জন্ম ১৮ ডিসেম্বর কালিংপঙ্ক এর পাহাড়ি অঞ্চলে,
ছোট বেলা থেকে গান শেখা পরে এলাহাবাদ সঙ্গীত পরিষদ থেকে ডিপ্লোমা। এবং কলা বিভাগে স্নাতক 
সাথে সাথে ডাইরি লেখা ও পরে ছোট বড় পত্রিকায় প্রকাশ।২০১২ তে সানন্দা পত্রিকায় পর পর লেখা প্রকাশিত হয় বিতর্ক বিভাগে।এবং সানন্দা নিহার নিচেরাল এওয়ার্ড সম্মানে ভুষিত হওয়া আমার লেখা লেখির জীবনে বড় প্রাপ্তি, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও লিটিল ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখালিখি।বর্তমানে আমার চারটি কাব্যগ্রন্থ, অলিন্দের কহতব্য, স্পর্শের সংকেত ও ঘুমাভাঙ্গা মেঘ, জাতিস্মরের আত্মকথা। 






মালা ঘোষ মিত্র

 



মালা ঘোষ মিত্র 

পথ হেঁটে


শরীর জুড়ে ভাবনার অনাবিল সংঘাত

অনিশ্চয়তা খুব স্পর্শ করে,

ঠোঁটে থাকে নীরবতা

দীর্ঘ হয় পথচলা,

প্রত্যাশা থাকে----

গভীর হয় দিনক্ষণ,

আয়না মুছে মুছে ক্লান্ত।

ভুল হয়ে যায় কতকিছু

বদলিয়ে যায় ----

হাসির কারুকাজে,

সাংকেতিক কথায়

সবকি আগের মতন,

চিরভিখারি রাস্তায় এসে দাঁড়ায়

এত পথ হেঁটেও

বন্ধু হওয়া আর হয় না।।













*************************************************************************



পার্থসারথি মহাপাত্র

 



পার্থসারথি মহাপাত্র * দুটি কবিতা


কবি সুকান্ত



একুশটা বসন্তেই ফুরিয়ে গেলে তুমি,

অথচ রেখে গেলে একটা গোটা শতাব্দী।


তোমার চাঁদ আজও রুটি হয়ে ঝোলে

ফ্ল্যাটের জানালায়, ফুটপাথের থালায়।


রানার এখন অ্যাপ-ক্যাব চালায় রাতভর,

পিঠে তার ইএমআই, ক্ষুধা, ঘুমহীন শহর।


তুমি বিশ্ব বাসযোগ্য করে যাব বলেছিলে,

আমরা নবজাতকের কান্না স্ক্রল করে চলি।


প্রতিটি অসমাপ্ত স্বপ্নে, প্রতিটি ক্ষুধার্ত মুখে, 

প্রতিটি প্রতিবাদে তোমাকেই শুধু দেখি।







অসমাপ্ত গণসঙ্গীত



তুমি চলে যাওয়ার পরও বাঁশি বাজে।

কেউ বলে বাতাস,

মানুষের বুকের ভেতর

জমে থাকা প্রতিবাদের ইতিহাস।


ধানখেত থেকে শহর

কারখানার সাইরেন,

মিছিলের স্লোগান, শিশুর ঘুম,

সবেতেই তোমার স্টাফ নোটেশন।


যখন কোনো শ্রমিক ক্লান্ত হয়ে ফেরে,

কোনো তরুণ স্বপ্ন দেখে ন্যায্য পৃথিবীর,

তখন তোমার গানে নদীর মতো

বয়ে চলে রক্ত ধমনীর।



*******************************************************************************





                      পার্থসারথি মহাপাত্র


°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

পার্থসারথি মহাপাত্রের গ্রন্থসমূহ–
১) 'বড় মুকরুর ছা' (মানভূমী কবিতা)
২) ক্ষুধার স্পর্শে বর্ণমালা কেঁপে যায় (কবিতা)
৩) পোয়াতি মেঘ (এক পংক্তির কবিতা)
৪) অল্প কথার গল্প (অণুগল্প) যন্ত্রস্থ।