বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

নিমাই জানা

 




নিমাই জানা * দুটি কবিতা


(১) নকি চকলেট , ধিক্কার ক্যাভিটি, সমুদ্রের মারমেড ও গন্তব্যের ওষ্ঠ দাতব্য শালা 

ট্রাই নকি চকলেট (ইনডালজ ইন দ্যা এক্সপিরিয়েন্স)ফ্লেভার আইসক্রিম মুচমুচে ক্রাঞ্চি অ্যানালগ ট্রান্সফারমেশন ১৮ টা রিপুর মেদ ভর্তি বালিশ সুরভী গাভির মতো হিক্কা তুলছে , কিম্ভুত কিমাকার রবার্ট ক্রোয়েল কালো ওভার কোটেট শুঁয়োপোকার রোমের থেকে আরও কর্কশ মাথার ভেতর থেকে লম্বা হাইড্রেন বয়ে যাবে গন্ধযুক্ত ঋতুস্রাব ক্যানেলের দিকে , ফসফরিক জিভের ভিতর অতৃপ্ত আত্মার টেস্টটিউব ক্লিনিক্যাল বাতাসের ওষ্ঠ ফুঁ ক্যাভিটি মেদ পুরাণ মৎস্য রহস্য মারমেড দাতব্যশালার পাকস্থলী রস তাদের কসমিক রেডিওথেরাপির নগ্ন চতুর্দশ দিনের অ্যালুমিনিয়াম বোল্ডার ভাঙ্গা খাদান গর্তের বক্সাইট মাথা খনিজ হাড়গোড় পিতাস্রাবের ধূসর মরচ পেরেক ও চুম্বনের মাত্রাতিরিক্ত ভালগারিস খেতে খেতে নখ দর্পণে নামবে তিনটা বাল্মিকী অষ্টাদশ সম্যক ৩ টা পাবলিক টয়লেটের ব্লেড ১৮ টা জনিতৃ যজাতি লাল চর্মিল প্রেত মেদ বর্জিত অপ্সরা মদন লেহনের চুম্বক আর থার্মোস্ট্যাটের চৌকা কফি কালারের অ্যান্টি লেভার্ট ব্যাগ পাইপার বেগুনের নীল কস্টিকাম বেলুন উড়ছে ফোবিয়া বিদীর্ণ করে আসা ঘর্মাক্ত রুক্মিণীদের মতো , হি হি করে হাসবো জাহাজ থেকে নামবো আর পাতলা গারদের বংশ ও ধর্মাত্মক অপ্সরাদের টার্গেট রাফায়েল এনালগ হিস্টামিনের চাবুকের শিফন বিবর্জিত পাতলা ক্যাভিটির মাথার মগজাস্ত্র নিয়ে ঢুকে যাব সুচারু গাড়ির ছোট্ট আঁশটে পাটাতনের নিচে , বদ রক্তের মতো আমার লালা বেরোবে আমি উলঙ্গ হয়ে মহা ভৌম অমরাবতীর পাড়ে ক্লীব দেহের বিনিময়ের ক্রসিংওভার আলট্রাস জেন্ডারের লাইট ক্রোমোজোমাল ম্যাগনেটিক ফ্রিকোয়েন্সি ইউরেনিয়াম ডার্ক ব্রেসিয়ারের ইমোজি শক্ত রন্ধ্রমূলে গেঁথে দেবো সবুজ বহুমুখ বিশিষ্ট পাতলা আঁশের সাপের নেবুলা স্টেশনের অষ্টাদশ গিমিক ও মিস্টার রিলেটিভ প্লানেটরিয়ামের গ্রহাণুপুঞ্জের মৃতদেহ , আলট্রা প্রোটোনিক ফিউশনে ধ্বংস হয়ে যাব নিজেদের পাতলা পাতলা ঔরস কাঁচের কেবিনে বন্ধ রাখব মর্গের ড্রয়ার খুলে হাইড্রো ক্যাফের ফালাফালা করে কেটে নেব এক একটা নীলোৎপল যৌনাঙ্গের আদিম মাংস মাথা , আমি নরম অন্ধকারে নিজের তৈলাক্ত মৃতদেহকে টেনে টেনে নিয়ে যাব মাথার ওপরে রাখা জন্মান্ধ প্রতিবন্ধী হাড়গোড় ও সারভাইকাল ক্যান্সারের অতি ধর্মাত্মক ব্যাকটেরিয়াদের নিয়ে , পাপিষ্ঠ হয়ে যাব , খয়েরি কালারের ৫০০ মাইক্রো গ্ৰাম গালার নীলাভ সেগুন গাছের তৈরি খেয়াকাঠের নিচে ঝুলে থাকা লম্বা ছাগলের প্যাকেটজাত রক্তাক্ত স্নেহজ পদার্থে কুম্ভ শাস্ত্রের প্যাকেট দিয়ে মোলেস্টেট করাব হোটেলের পরিচারিকার পা-দানি নিয়ে, সবাই জানে ১৮ টা মৃত্যুর দিনে এক একটা আততায়ী মেপে নিয়ে গেছে আমার গলা ও তলপেটের মাপ , শ্মশানের নিভন্ত উপ্ত ঈ কার বীজ সারিবদ্ধ হয়ে শুয়ে আছে ভেক্টর অনুৎপাদিত দ্রাক্ষা চুল্লির সময়োপযোগী বাণপ্রস্থের গোলার্ধ শুন্য কাকতালীয় লিভ ইন ফার্মেন্টেশন নিয়ে , হ্যালুসিনেশন ট্রুথফুল চুল্লির কাছে অপরিশোধিত সতর্কবার্তা পাঠাচ্ছে নীল সেন্সরের অপ্সরা নাভির গর্তে লুকানো তিনটি অনুৎপাদিত শুভ্রাংশু দানাদার জিন কাফ সিরাপের টেস্ট টিউব , ২৫০ গ্রাম বেবি টিউবে জন্ম নিচ্ছে আই ভি এফ কুন্তীর স্যাবোটেজ টিউমার 





(২) চিরহরিৎ কেটামিন , পায়ুদ্বারের ঘা ,ৎ মার্কা আইব্রো বিষাদ ও সোশিওলজিক্যাল চর্মরোগের ভ্রুণ

নিষিদ্ধ ত্রৈলক্য আজির জরা জায়ফলের মতোই আর্ত চিৎকার করো হে দানব , পুরুষ দানবের গোপনীয় কাষ্ঠফলকে লিখেছে নিষিদ্ধ খরোষ্টি লিপির তম ষোড়শ , হড়হড়ে চর্মরোগের নিচে হলুদ অপ্সরারা অক্সিজেন টিউবে পুঁতে দিচ্ছে হিমোচুরিয়া রক্তস্রাবের নগ্ন পায়ুদ্বার কণিকার ঘা , গোপনীয় বায়ুর ইঙ্গিতে ফেলে ফেলে যাচ্ছে অপ্সরাদের নারী দাতব্যের অমরাবতী উৎসর্গ কথা , উৎকীর্ণ নশ্বর নাগকেশরের হিমায়িত চাবুক এই গন্ধর্বের উপকূলে লালা ফেলে যাচ্ছে মহীশূর ও মহিষের জঘন্য ভ্রুণ কেতু রাক্ষসের দাঁতের মতো আমার কারখানায় চিৎকার করছে অন্ধকার ভয়ানক কাকের পরজীবী শবদেহ টানেল , সান অ্যাটাক সোসিওলজিক্যাল ঘুম রহস্যের ডানা কাটা জন্তু গুলো নীল করিডোরের শ্বেতাঙ্গ ভ্রুণের জঘন্য বিষবাষ্প উড়বে কালো কার্বনেটেড ফ্লেভারের জলের সুষুপ্তি কেটে যাবে , আমি পরিনাম দুঃখ আর সংশয় দুঃখের শোকসন্তপ্ত নষ্ট সেলুনে বারকোড ঘষে ঘষে পাতলা মূত্রত্যাগের মতো রেডিও নিউজ কেচিয়ান পার্লার থেকে বের করে আনব আই ব্রো কোটির নীলাভ তপস্বিনীদের পেটিকোট, ছিঁড়ে পড়বে লা লা (+.০৫ cm ) ইলাস্টিক কামিজ এন এক্স টি ফিজিওলজিকেল থার্মোমিটারের থেকেও ভয়ানক সুড়ঙ্গ খুঁজে আমি মৃৎ পাথরের মতো মৃতদেহের সারা শরীরে পুঁতে দেবো লাল মরীচিকার অর্ধেক বীজ , এসো জাহান্নামের তৃতীয় দরজার অন্ত্যোষ্টি নাগরিক বিষাদ সমগ্র , ছায়া মূর্তিটাকে পোড়াতে পোড়াতে আমাদের ক্রমশ অতি বিবর্ধিত জ্বালানি শেষ হয়ে যাচ্ছে নীল স্বর্গীয় রাক্ষসীনীদের সাত্ত্বিক পাখি জেগে উঠছে বলাৎকারের প্রতি বৃদ্ধি নেই মাকড়সা ও তাদের জ্বলজ্বলে লাল রেডিয়ামের চোখের উপরে দাঁড়িয়ে উইচি সেলাইফা মাখিয়ে বিক্রি করছে গম কারখানার হড়হড়ে অ্যান্টি গনোরিয়ান ক্যাপসুল , আমাদের সব শংকর্ষণ ধাতুর লালা কাটছে অতি ধাতব মেরুপৃষ্ট ঋষির চৌম্বকীয় ব্লেড ও ঘর্ষণ তড়িৎ এর অস্থিতিস্থাপক নৌকার জাহাজি বাদাম , ফার্স্টট্র্যাক হয়ে যাও তেল কারখানার নাবিক মারণাস্ত্র ফেলে দাও সাপেদের চুম্বক পেনিস বিক্রি হোক তার বীজদানা দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হোক লৌহ পাললিক অতি কীর্তন পুষ্যশৃঙ্গ ও রোহিতাশ্ব দর্পণ পাহাড় শিবালিক মাগধীতন্ত্রের রাক্ষস পৌরস , আমি কালো পিচের মতোই বিক্রি করছি সাদা রঙের শ্মশানের আধপচা ডোম প্রতিকৃতি, এসো হরমুজ বিথীকার অম্বিকা প্রণালী, তিনবার শ্মশানের চৌকাঠে লালা মাখিয়ে অষ্টাদশ ধ্বংসাবশেষের নিচে অতি কুব্জ অবস্থায় প্রাপ্ত ধৃতরাষ্ট্রের সুগন্ধি সম্ভোগ পদার্থ তৈরি করছেন গুপ্তচর তিনকোনা লম্বোদর আর তিনটি প্লাঙ্ক থিওরিটিক্যাল হিস্টিরিয়ার ম্যাগপাই গাছ ,শ্বেতাম্বর উট গুলো জাহাজের কাঠ স্টিল নিয়ে তড়িৎ আবাসনের নগ্ন ফার্নেস দিয়ে টিউব্যাকটামি করাচ্ছে অ্যান্থ্রোপলজিক্যাল কেটামিন দিয়ে 




*********************************************************************************************




নিমাই জানা

 এ সময়ের অন্যতম শক্তিশালী তরুণ কবি । রুইনান সবং পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে লিখছেন প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ :  ছায়ার মূলরোম ও  নির্জন পুরুষ অসুখ * জিরো কম্পাঙ্কের পেন্ডুলাম * ঈশ্বর ও ফারেনহাইট জ্বরের ঘোড়া * ইছামতি ঈশ্বরী ও লাল আগুনের ডিম্বকোষ * রজঃস্বলা বৃষ্টির গুণিতক সংখ্যাগুলো ব্যাবিলনের চাঁদ * জাহান্নামের বাদাম গাছ   







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন