বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

তাপস কুমার দে

 




ব্যর্থ কবিতার ব্যঞ্জনা

তাপস কুমার দে 


কবিতা আজ হতাসার বিভ্রান্তির শঙ্কার 

মিথ আর মূর্তি পূজার কলঙ্ক, ধর্ষিত নারীর শরীর 


আটকে আছে মরমি বোতামে 

যোগবিয়োগের অনিবার্যতায় কুলষিত


ব্যর্থ কবিতা। উন্মত্ত ব্যঞ্জনা জঞ্জাল সম

কখনও দুর্জন নিষ্ঠাহীন শব্দরা ছুটছে উর্ধশ্বাসে 

কখনো বিরাম চিহ্নের রসিকতায় হোঁচট খাচ্ছে


ওড়ে আকাশ, ঝরে পড়ে নৃত্য রত অন্তমিল 

মূল্যহীন ঘোলাজল অবুঝ অবলা ছন্দহীন


পরিবর্তন সে এক খেয়াল, শব্দ দিয়ে শব্দ দমন 

জটিল রোদ্দুর, পিচ্ছিল বানান, শ্যাওলা এসে বসে কবিতার 

ঘরে


দ্রোহ, প্রেম অতিক্রমে অচেনা অলঙ্কার 

পরাভব খুলে রাখা চোখ, বৈরী ঘাম, সজীব প্রাণ, আঁচড়ে 

আঁচড়ে কাঁদে।




**************************************************************


তাপস কুমার দে 

 লেখালিখি শুরু--সেই স্কুল জীবন থেকে লেখালেখির হাতেখড়ি। 
 স্কুল জীবন থেকে বিভিন্ন রকম গল্পের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে এটা প্রবল হয় যখন আমার এক সহপাঠী বিভিন্ন রকম বই সংগ্রহের উদ্যোগ নেই কারণ সে পাঠাগার গড়ে তুলবে। আর এ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে গেলে একটি বই দিয়ে অংশ গ্রহণ  করতে হবে। আমি অংশ গ্রহন করলাম এবং গল্প পড়তে পড়তে লেখার ইচ্ছে জাগে এবং একটি গল্প লিখেও ফেলি ওটাই আমার প্রথম লেখা। 
প্রভাব সৃষ্টিকারী লেখক অথবা কার কার লেখা পড়তে ভালো লাগে---- আমি যখন বেড়ে উঠি তখন হুমায়ুন আহমেদের যুগ তারপরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শরৎচন্দ্রের মতো লেখকদের লেখা ভালো লাগার তালিকায় উঠে আসে। 
আমি কেনো লিখি---- আত্মতুষ্টির জন্য খানিকটা তারচেয়ে বড়ো ব্যপার হলো মনুষ্যত্ব বিকাশের অবিচ্ছেদ্য অংশ যে সাহিত্য, তা নিজেকে ও সমাজকে বুঝাতে। যার ভেতর রয়েছে মহাজাগতিক আনন্দ। 
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের  পদক্ষেপ ---- লেখালেখির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বলতে নিজের বই প্রকাশ করার আপ্রাণ চেষ্টা আর সেই লক্ষ্যে পান্ডুলিপির কাজ চলমান।  
 বেশকটি সাহিত্য সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম তার মধ্যে অন্যতম খুলনা সাহিত্য মজলিস,  খুলনা কালচারাল সেন্টার। এখনও সম্পৃক্ত আছি খুলনা কালচারাল সেন্টারর সাথে।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন