মধুপর্ণা বসু * দুটি কবিতা
নিরাময়
মেঘের মতো আস্তানা খুঁজে নিয়ে বেপাত্তা
অতর্কিত সময় উজার নিয়েছে জন্ম ঋণ
কপট অছিলা চাতুরীর ঋণ হিসেব নিকেশ
ডেকেছে অথচ সাড়াই পায়নি অন্তর্লীন।
কতো অছিলায় মাটির স্নেহের পাশে বসি,
খড়িমাটি আঁক কর্ষণে রেখেছে সুসময়
ঘষা কাঁচ তাই আবছায়া হল আগামীকাল
প্রতিষেধক গুণে চেতনায় জাগে বরাভয়।
চলে গেছে যারা মোরাম সূচীর আশা
ধুলোর গন্ধে ঝড়ের আভাস শুনেছো কি?
বুকপকেটের টুপটাপ ঝরা ফোঁটা মেখে
নিরাময় খুঁজে লড়াইয়ের ভয় জেতো দেখি।
ফেস্টুনে যারা নিজেদের কথা লিখেছিল
একবার তবু স্বচ্ছ আলোর কলতান হোক
ভুলের থেকেই বিপ্লব এসে দেখাবে জয়,
আকাশ জয়ের অসম যুদ্ধে মুছবে শোক।
জ্বর
বিদ্যুৎ বেগে চলে যাওয়া সমকালে
থমকে আমার মুখ!
আমি অভাগা সাময়িক শুশ্রূষা
পাবার প্রত্যাশি।
খুলে যাওয়া জানলার পাশে
রেখে আসি অতীত।
অনন্ত অপেক্ষায় কত মধুরাত,শশী মাধুর্য
দৃশ্যত অচলায়তন সময়।
অদৃশ্য হাওয়া বেগে মিলিয়ে যায় রোগ তাপ,
ওষুধের প্রলেপ ঢেলে দেয় সবজান্তা কাল।
আমার আর তোমার অসহায়তা
বুঝে নিয়েছে
এ জ্বর উপশম পাবেনা কোনদিন,
এই বেঁচে থাকা আসলে আমরণ জ্বরের ঘোর।
*******************************************************************





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন