তাপস কুমার দে * দুটি কবিতা
কোন নির্জনে
নির্জনে, নিজেকে ডুবিয়ে রাখে পথ
আকাশবৃষ্টি ভেঙে নামা নির্জন পথে
নৈঃশব্দ্যে সৃষ্টির তীব্র ভিড়ে বসে আছে
নিজের মতো আয়োজন বিলাসী
একাকিত্বের টানেই একাকি হেঁটে যাওয়া
দিন উদয়ে পথগুলো নিজেকে খোঁজে
খোলা মানুষের দেখা পাওয়া কঠিন
কঠিন তাদের অন্তরের পথে হাঁটা
বিরান হওয়া ঠা ঠা রোদ্দুর ঝরা পথ
মুখিয়ে থাকে ফাঁদ পাতা শিকারির মতন
নর্তকী-মন সকৌতুকে হাসে সমতালে
নিজেকে হারিয়ে ডুবে যায় নির্জনতা ।
রূপান্তর পাঠ
পলেস্তারা পড়া আচঁড় হাতের শিরায়
বৃথা রূপকাব্য হাতড়ানো রূপান্তর পাঠ
দেয়াল অন্ধ, দুর্বোধ্য এখানে জীবন বোধ।
নীরব শাশ্বত সাক্ষ্য বহন করা ইতিহাস
বীভৎস।
স্থায়ী ঘটনা সমগ্র চাইছে আড়াল করতে
প্রত্যাশায় পাওয়া আলো জীবন ওলটাতে থাকে
শ্বাস স্বস্তি থেকে থেকে উজ্জ্বল বিমূর্ত স্বপ্নছায়া
শাখা-প্রশাখা শেকড়ে কালো স্মৃতি।
সতেজ সবুজ গাঁথুনি, প্রাচীন লাল ললিত
অস্তিত্ব কাঁপা হাসিতে বেরিয়ে আসে উল্লাস।
গায়ে উদম অতীত থাকা ইটের সুরকি গুড়ো।
**************************************************************************



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন