রহিত ঘোষাল * দুটি কবিতা
পূবের বাতাস
কালবৈশাখীর পরে টিপটিপ গা-ঝাড়া দেওয়া বৃষ্টি, খালের বুকে চর পড়েছে।
তন্দ্রামাখা ধোঁয়া, গলুইয়ে দাঁড়িয়ে বুঝে নিচ্ছি অশনি পূবের বাতাস।
ঠোঁটে এসে দাঁড়িয়েছে তাণ্ডব,
আহ্নিক ঘুরিয়ে পোনা শিকারের জাল গুটিয়ে বিমোহিত হচ্ছে টেমিগুলো, দপদপ জ্বলছে। ইশারায় লুকানো উদ্ভাবনী শক্তি, ফাঁড়ি, খামার।
সাহস দেয় লোনা পানির জটিল পথ।
দু'পাশে সুন্দরী, বাইন, গোলপাতা গাছ।
ভাগ্যবান
জেগে উঠে দেহ আবার চিৎ সাঁতার,
ডোবাতে এসে নিজেকে
ফুঁসে উঠছে খরস্রোত।
প্রেমিকার গুপ্ত মহাদেশ থেকে খাতার প্রেতাত্মা
প্রান্তরে প্রান্তরে জ্বালাপোড়া নিয়ে পৌঁছায়
লোকালয়হীন ঢেউ গণগণে শিবিরে,
স্নান শেষের চুল চক্রের একবিন্দু নীচু মন
পরনারীর খেয়াঘাটে একাকী অস্থি হয়ে
সাড়া জাগাও,
বালিকাদের স্কুলের অলিতে গলিতে ফুলগাছ থাকা বাধ্যতামূলক।
চতুর্থ বই "শরীর এক ডুবোজাহাজ"(মুক্তগদ্য)—২০২৬



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন