বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

রহিত ঘোষাল

 





রহিত ঘোষাল * দুটি কবিতা 

পূবের বাতাস


কালবৈশাখীর পরে টিপটিপ গা-ঝাড়া দেওয়া বৃষ্টি, খালের বুকে চর পড়েছে।

তন্দ্রামাখা ধোঁয়া, গলুইয়ে দাঁড়িয়ে বুঝে নিচ্ছি অশনি পূবের বাতাস।

ঠোঁটে এসে দাঁড়িয়েছে তাণ্ডব,

আহ্নিক ঘুরিয়ে পোনা শিকারের জাল গুটিয়ে বিমোহিত হচ্ছে টেমিগুলো, দপদপ জ্বলছে। ইশারায় লুকানো উদ্ভাবনী শক্তি, ফাঁড়ি, খামার।

সাহস দেয় লোনা পানির জটিল পথ।

দু'পাশে সুন্দরী, বাইন, গোলপাতা গাছ।












ভাগ্যবান 


জেগে উঠে দেহ আবার চিৎ সাঁতার,

ডোবাতে এসে নিজেকে

ফুঁসে উঠছে খরস্রোত।

প্রেমিকার গুপ্ত মহাদেশ থেকে খাতার প্রেতাত্মা

প্রান্তরে প্রান্তরে জ্বালাপোড়া নিয়ে পৌঁছায়

লোকালয়হীন ঢেউ গণগণে শিবিরে,

স্নান শেষের চুল চক্রের একবিন্দু নীচু মন

পরনারীর খেয়াঘাটে একাকী অস্থি হয়ে

সাড়া জাগাও,

বালিকাদের স্কুলের অলিতে গলিতে ফুলগাছ থাকা বাধ্যতামূলক।













******************************************************************************



                                রহিত ঘোষাল 

দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকায় ১৯৯০ এর ৯ অক্টোবর রহিত ঘোষালের জন্ম, সেখানেই শৈশব ও কৈশোর ব্যয় করেন। লেখালেখি করছেন ২০০৭ সাল থেকে। আনন্দবাজারের আরো আনন্দ অ্যাপ সহ বিভিন্ন সম্ভ্রান্ত পত্রিকাতে নিয়মিত কবিতা লিখে চলেছেন।
জীবনের বিচিত্র সব শিল্প সংস্কৃতি সংক্রান্ত কৌতূহল ও স্বপ্ন মেটাতে ও বাস্তবায়ন করতে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা কলেজ অবধি। কবিতা লেখার আশেপাশে অভিনয় করেছেন মঞ্চনাটক ও অন্তরঙ্গ নাটকে। গান গেয়েছেন এবং লিখেছেন নানা বাংলা ব্যান্ডের দলে, অবসরের ছবি আঁকতে ভালোবাসেন আপন মনে। 
প্রথম কবিতার বই 'পীড়িত অববাহিকা'—২০২৩।
দ্বিতীয় কবিতার বই 'জাদু ছত্রাক'—২০২৪
তৃতীয় কবিতার বই 'বৈদেহী'— ২০২৫

চতুর্থ বই "শরীর এক ডুবোজাহাজ"(মুক্তগদ্য)—২০২৬


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন