বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

চন্দ্রাণী গোস্বামী

 



চন্দ্রাণী গোস্বামী * দুটি কবিতা 







ও বাঁশি

অ...

আলো কাঁদে

আঁধার খোঁজে


গাছ ঋজু, তবু হাওয়ায়

ব্ল্কল কাঁপে

সহৃদয় কান্নায়...


আ...

যমুনা কানাকানি করে, মন্দ বলে ঢেউ

বাঁশি তবু ভেসে যায়... ভেসে যায় কেউ


কতদূর তুমি চেয়ে দ্যাখো, ওহে নিষ্ঠুর

নিষ্ঠুর!














ফুলমনি 


আগামী জন্মে ফুলমনির গলার তিল হবো।

সাঁওতাল ডিহা গেরামের শেষ মাথায় বিরসা মুন্ডার ঘর।

সনাতন তার জামাই , চপ আর গেঁড়ির ঝাল চচ্চড়ি বিক্রি করে।

ঝাঁপের পেছনে ফুলমনি তাড়ি ...


মঙ্গলবার হাট বসে। ফুলমনি সেদিন ফুল ফুল শাড়ি পড়ে।

হাট শেষে কেউ হেঁটে আসে চপ খেতে। 

কেউ সাইকেলে রেখে পিছে চলে যায়। 

উবু হয়ে বসে ফুলমনি তাড়ি ঢালে। নিখুঁত ভাঁজে তিল ঢলে। 

দিন ঢলে। ফুলমনির মাংসল বুক নরম হয়।


আমি দেখি পয়মন্ত ফুলমনির টানে কেউ আমায় খুঁটে খায়। 

কেউ তাড়ির গেলাসের সাথে চেটে।


নেশা নেশা মুখগুলো দেখতে আমার খুব মজা লাগে।













**********************************************************




চন্দ্রাণী গোস্বামী

জন্ম সত্তর দশকের শেষদিকে। স্কুল জীবন, বড়ো হয়ে ওঠা সবই কলকাতায়। পড়াশোনা স্নাতকোত্তর , কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে কলকাতার একটি কলেজে হিসাব রক্ষণ বিভাগে কর্মরত। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি তীব্র আসক্তি। নতুন শতকের প্রথম দশকের শেষ থেকে নিয়মিত লেখালেখি। কবিতা আশ্রম, কৃত্তিবাস, গাঙ্গেয়, অপদর্থের আদ্যক্ষর, বম্বে ডাক, তমোহা, সাজি পত্রিকা, বিকল্প বার্তা সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত। খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হতে চলেছে তাঁর কবিতার বই----



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন