বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

তাপস কুমার দে





তাপস কুমার দে * দুটি কবিতা

এ আকৃতির দরজা


এখনও চন্দ্রবিন্দুতে চাঁদ ওঠে 

একটা  ওউকার শিশির ধরে রাখে

এ আকৃতির দরজা


ঐ আকৃতির জোছনা এসে স্বরবর্ণ খুঁটে খায়

কবিতার শরীরে ব্যঞ্জনবর্ণের শিরা উপশিরা ভ্রমণ করে 

স্বপ্নে মানুষ ডুবে রয়


ধোঁয়াশা চোখ

মেঘ ভর্তি রক্ত


ধাতব পরিক্ষায় জ্বলে ওঠা আগুনের দাগ পুনোরায় মানুষকে

জন্ম দেবে বলে—

আকাশের গায়ে লেগে আছে 


মানুষে আর আঠা নেই 

টানেহিঁচড়ে কাগজ বানানো ধর্ম রাষ্ট্র ইতিহাস ভেসে যাচ্ছে 


দিন...

রাতের স্নায়ুতে বীজ জেগে থাকে

এবং এক ব্যঞ্জনার মধ্য দিয়ে দরজা খোলে

 ফুল ফোটে।।













একটি চরিত্র 


লক্ষ্মণগুলো চাঁদের মত রহস্যময় 

মৌচাকের শহর

বিক্রির জন্য সাজানো রয়েছে মানুষ 


প্রথম পান্ডুলিপিটি যুদ্ধ দিয়ে তৈরি 

শিউরে ওঠা দৃশ্যের দোকান থেকে সম্পর্ক কিনছে

রাত ভর্তি তারা ছিল জাদুকরের পকেটে


ঘুমেরা এসে জীবনের গর্ত খোঁজে

মুখগুলো দুর্বোধ্য আগুনে বোনা

ঢেকুর ওঠে গলিত সূর্যের 


মেঘ শুধু গর্জে ওঠে শূন্যতার মাঝে 


ঢেউগুলো বৃষ্টির 

মাতৃত্বের স্বদেশ বিপুল সংখ্যক তারার ভেতর গুজে রাখে


একটা কোন থেকে যে কবিতা লেখা হচ্ছে তার অন্ধত্বে ঝুলে

আছে বিস্ময়  

কশাইখানায় তৈরি হচ্ছে শিল্প

সমুদ্র বইছে মানুষের দাঁড়ে।।












**************************************************************


তাপস কুমার দে 

 লেখালিখি শুরু--সেই স্কুল জীবন থেকে লেখালেখির হাতেখড়ি। 
 স্কুল জীবন থেকে বিভিন্ন রকম গল্পের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে এটা প্রবল হয় যখন আমার এক সহপাঠী বিভিন্ন রকম বই সংগ্রহের উদ্যোগ নেই কারণ সে পাঠাগার গড়ে তুলবে। আর এ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে গেলে একটি বই দিয়ে অংশ গ্রহণ  করতে হবে। আমি অংশ গ্রহন করলাম এবং গল্প পড়তে পড়তে লেখার ইচ্ছে জাগে এবং একটি গল্প লিখেও ফেলি ওটাই আমার প্রথম লেখা। 
প্রভাব সৃষ্টিকারী লেখক অথবা কার কার লেখা পড়তে ভালো লাগে---- আমি যখন বেড়ে উঠি তখন হুমায়ুন আহমেদের যুগ তারপরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শরৎচন্দ্রের মতো লেখকদের লেখা ভালো লাগার তালিকায় উঠে আসে। 
আমি কেনো লিখি---- আত্মতুষ্টির জন্য খানিকটা তারচেয়ে বড়ো ব্যপার হলো মনুষ্যত্ব বিকাশের অবিচ্ছেদ্য অংশ যে সাহিত্য, তা নিজেকে ও সমাজকে বুঝাতে। যার ভেতর রয়েছে মহাজাগতিক আনন্দ। 
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের  পদক্ষেপ ---- লেখালেখির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বলতে নিজের বই প্রকাশ করার আপ্রাণ চেষ্টা আর সেই লক্ষ্যে পান্ডুলিপির কাজ চলমান।  
 বেশকটি সাহিত্য সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম তার মধ্যে অন্যতম খুলনা সাহিত্য মজলিস,  খুলনা কালচারাল সেন্টার। এখনও সম্পৃক্ত আছি খুলনা কালচারাল সেন্টারর সাথে।  

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন