সপ্তশ্রী কর্মকার * দুটি কবিতা
তবুও দগ্ধ হই না
গত পাঁচরাত জুড়ে ছিলো দুঃখ
একের পর এক মৃত্যুদৃশ্য,
দুশমনভয়, পরীক্ষার টানাপোড়েন
তাই অগ্রাহায়ণের শ্লোকে জুড়ে দিলাম কার্তিকপূজা
প্রেমিকের মৌলিক চাহিদা বলতে শুধু
জানতে চাওয়া-
কবির মনস্তত্ত্ব কি শুধুই খিদে!
না বিড়ালের হাবভাব দেখে আগাম বিপদের
আভাস!
কবি বন্ধুদের সৌভাগ্যে'র দরুণ
খুশি মনে সহজে লিখি কবিতা,
সংসার ফর্দ,
গল্প করি - রান্না, পূর্ণিমার চাঁদ,
বাইপাস সার্জারির খরচ নিয়ে ,
তবুও দগ্ধ হই না বেড়ি পরা দলিত দেহ হয়ে
ধাঁধা
কবিতা না এলেই মা'কে জড়িয়ে ধরি ,
দেখি পিঁপড়েদের রেশনের লাইন চলছে!
অর্ধেক পেনশনে সংসার খরচের
হিসেব নিকেশ সেরে নিচ্ছে মা,
এই অভাব সংকটে জুড়ে দিই শ্মশানঘরের পাশে পাওয়া মুদ্রা,
এসব দেখে ত্রিশ উর্ধ্ব ঘুণ ধরা মাথা ধাঁধা হয়ে
বেসিনে গড়াগড়ি খায় রোজ ,
আমি ভয়ঙ্কর ভাগ্যশালী,
এই অবধি দীক্ষাহীন, পরীক্ষার ফর্ম-ফিলআপের টাকা
মা দেয় প্রতিবার,
রুক্ষ সংসারনীতি এখনও স্পর্শ করতে পারেনি,
এসব সমঝোতায় জাগিয়ে তুলি কিছু
অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ স্বপ্ন-
অদেখা দেশের নাম, তিনটি শক্ত কবিতা!
যা আমার মৃত্যুর পরেও ক্রাইসিসের সময়েও
মানুষকে শাস্ত্রীয় সংগীতের কনসার্টে নিয়ে যাবে
******************************************************************-




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন