বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিমাই জানা

 




নিমাই জানার তিনটি কবিতা

(১) সামুদ্রিক রক্তস্রাব, স্লিভলেস পিতা, অক্ষর ও যৌনাঙ্গের কুকুর

১১ টন সামুদ্রিক রক্তস্রাবীর কোন মৎস্যকন্যার তলপেট ফাঁকা করা ডিম্বাণুর মাইক্রোলজিক্যাল সেমিনাল টিউবের ফারেনহাইট মাথার এসকর্ট পটাশিয়াম বিষগুলো ভূত্বকগ্রস্ত জাহাজের কাছে উলঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে নক্ষত্রের পৌনঃপুনিক অন্ধকারের নিরামিষ প্রতিসাম্য যন্ত্রের দিকে আমার উন্মুক্ত লিঙ্গের তৃতীয় অতিবর্ধক খণ্ড খণ্ড চুম্বক প্রদর্শিত কোন ক্ষতমুখে রাত্রিকালীন পূজার উপাচারের অস্থির সংক্রমণ মিশিয়ে , কোন হাসপাতাল আর বেঁচে নেই প্রতিটা হাসপাতাল অতি কম দামের কণ্ডোম প্যাকেট ছিঁড়ে ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে যাচ্ছে শৌচাগারের উচ্ছিষ্টভক্ষ মানুষ , অতি গোলক মহাবৃত্তে ঘুরতে থাকা মাংসাশী রেতের থেকেও আরও স্লিভলেস ক্রোমাটিক কুকুর ব্রাউজারে আঁচড় কাটা দ্রবণীয় জাজ্বল্যমান শ্মশানের বুকে ঝোলানো পাঁজর ভাঙ্গা মাসিক বন্ধের ওষুধ পিতামহের মতো আমার পিতার মৃত আন্ত্রিক উলঙ্গ বাঁশিকে ডাকছে , আমার চারপাশে বোধোদয়ের কুকুর নিজের মাথা ও পাছার কাছে ক্ষত চিবিয়ে চিবিয়ে ঘেউ ঘেউ করতে থাকে রাতের নিষিদ্ধ পল্লীর নির্জন পায়ের শব্দ শুনে, এই মাঝ রাতে কেউ হেঁটে হেঁটে আসছে আমার মাথার ভেতরে কোন ইস্পাতের কারখানা নেই বলে , আমি এত প্রখর রোদে উলঙ্গ হয়ে শুয়ে থাকার কোন সংজ্ঞা দেখতে পাই না ডেভিল ইনবক্স চটচটে পাখিরা উড়ে এলে আমার হাই ইলেকট্রিক ভোল্টের ৫০ হার্জ মাধ্যাকর্ষণ ছাই আমাকে চুষে চুষে খায় আমার গোপনাঙ্গে কোন হাইড্রোলিক গোপনাঙ্গ ছিল না প্রায় এক শতাধিক বৎসর আমি গর্ভপাতের জন্য মিথ্যে করে মস্তিষ্ক জ্বরের সংক্রমণের কথা বলি নার্সিংহোমের মালিককে ,আমার মৃত আত্মীয়কে দেখলেই আবার পাছা ফুলে যায় রাতের সদ্য ইস্তফা দেওয়া ফোঁড়া গুলো ফেটে যায় রক্ত চোষা যক্ষা মার্কা স্বামীর মতো। ফাঁকা মাঠে এসে দাঁড়ালে সব বিষধর সাপেরাই আমার পাশে হুবহু তাদের বাই সেক্সুয়াল লিঙ্গ দণ্ড গুলো খাড়া করে কালো কাঁচের কৌটোতে ঢুকিয়ে যক্ষপুরীতে ছুঁড়ে দেয় আর কপিশ মন্ত্র উচ্চারণ করে , এতো সঙ্গমের জন্য আর কোন ছাল ছাড়ানো দক্ষিণায়ন মন্ত্র আবিষ্কার হয়নি। আমি কি তবে এ জন্মের প্যাকেটের ভেতরে বসে গর্ভ পরবর্তী পিতার সঙ্গম দৃশ্য স্বীকার করে যাব আমার অবৈধ সঙ্গমের ডুয়োলিন সিরিঞ্জ গেঁথে , ডুবোজাহাজ থেকে লাফিয়ে নেমে নামাজ পড়ব , গির্জায় মাথা কেটে রেখে আসবো, মন্দিরের পেছন দরজায় বলাৎকার করবো কোন কার্বাইড মেশানো রাতের অক্টোপাসের ছেঁড়া নাইলনের ন্যাপকিনে মুখ ঢাকা ঋতু যোগী কোন আফ্রিকান জায়ান্টের সাথে , একটা শামুক আমার ভয়ানক লোহার গুহা চিত্র ভেঙে দিচ্ছে প্রেত প্যাথলজিস্ট সেন্টারের রোলার ব্যান্ডেজ স্পুটাম স্পেসিম্যান মিশিয়ে


(২) পর্নোগ্রাফিক ঈশ্বরের থলথলে ক্যাকটাস ও জিন্স কারবারি

এ আই ফরমেটেড মডুলেশনের স্তুপীকৃত চর্ম রোগের চামড়া খসে খসে পড়ছে , কোঁচকানো স্তন ঢেকে আছে সবুজ মার্কিউরোক্রোম উদ্ভিদের তৈরি লতাপাতার ফাকিং ডেস্ট্রওয় জোনে , আট জোড়া ধৃতরাষ্ট্র দোষের পায়ে ভয়ানক জুতার হাই হিল ম্যানুফেস্টেশন , পতাকা নড়ছে ধারালো কুঠার দিয়ে পৃথিবীর এনামেলিক পর্দা ছিন্ন করছে, গ্লাভস নখ দিয়ে নিজের শ্বাসনালী চিরে দিলেই কালো রঙের মদের তৈরি টক দৈ গোলাপের মতো অতি তাজা তাজা রক্ত বেরিয়ে এসে সাইবেরিয়ান গ্রানাইটে তৈরি প্লেটে জমা মলত্যাগের বেকড করা কোকেনের উপর যোনিময় জমির মোমবাতির মতো স্লাইডিং হার্ডকোর জাইলোকেন জেলি লাগানো সাইকোনিউরেটিক জরায়ু মুক্ত তৈরি করছে , দীর্ঘতম বেলিয়ালের শিকারী বাঘ বসে থাকা গর্তের কথা আমি শেষ রাতের দিকে পর্ণোগ্রাফিক ক্যালাইডোস্কোপে মুখ ঢুকিয়ে দেখি আমারই মতো পাক খাওয়া মৃতদেহ গুলো কালো পুরুষ কাঠের মতো শুকিয়ে শুকিয়ে ঈশ্বরের কঙ্কাল তৈরি হয়ে আছে , বেশ্যার গৌণ যৌনাঙ্গ বলে কিছু নেই। যারা নিচু হয়ে রাতের নক্ষত্রের তাপমাত্রা মাপে আর শরীরে জেগে ওঠা রাশিয়ান মুদ্রার ক্যাকটাস থলথলে ঘাসগুলোকে ছিঁড়ে নেয় তারা দেখতে থাকে হীরক দ্যুতির মতোই পোয়াতি অজগরের ছাল চামড়া থেকে আমার পৌরুষের দাঁতের বিষাক্ত মেশানো সব মাংসাশী পিতা গুলো আমাকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যার নিকোটিন উনুনে ফেলে দেবে আমারই রক্তচোষক বিষাক্ত কাটা জিভ, হাউ হাউ করে কেঁদে উঠি আমি , শকুনের গুপ্তচর ও ভাসমান ট্রমাটিক বাদুড়ের জানালা থেকে পাক খেতে খেতে নেমে যাই যে নারীটি ইনবক্স ফ্রিকুয়েন্সিতে দশটা রাক্ষসের মুত্র মাখানো অধম ঠোঁট দিয়ে নেমে গিয়েছিল ভয়ানক জলপ্রপাতের নিচে তারা আর কেউ হরিণীদের সঙ্গম নৃত্য দেখে সম্মোহন অনাবৃত বিভঙ্গের ঋষি কণিকায় ছিন্ন করে তাদের রাতের নির্যাস থেকে ঢেলে দেয়নি বাদামি অ্যাস্ট্রলজিক্যাল রক্তকণিকার ককটেল , আমার পাজামায় দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে মাথার চুল ওঠা খুলি , আমি মৃত অপ বৃহৎ জলজ তেজস্ক্রিয় মাছের শরীর থেকে তার নাড়ি ভুঁড়ি ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাই ক্ষিতি ব্লেড দিয়ে ছি ছি করে চিরে খাই সদ্য ভাগাড়ে পড়ে থাকা অতি মরুৎ স্থবির হয়ে যাওয়া প্লেটো গ্রহের থেকেও আরও চামড়াময় জড় পদার্থের থেকেও আরো ভয়ংকর কোন সদ্যাজাত নষ্ট পুরুষ লিঙ্গের মালাইকারি , আমি তো মৃত্যুর থার্ড কোয়াড্রেন্ট সাইবারনেটিকসের শীঘ্রপতনের অতি ক্রিস্টাল দ্রব্য ধাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র হলুদ কামিজের ঘাম মেশানো ব্লাউজ অসীম অপটিক্যালসের সপসপে চামড়ার থলি আর কামিজের চরিত্রহীন কম্পাস উড়ে উড়ে পাখিদের খেয়ে তৃতীয় গোলার্ধ থেকে নিয়ে আসে আমারই মতো জাদুঘরের বাক্সে লুকিয়ে রাখা সুদৃশ্য বুলেটের অ্যারোমেটিক ফিগার নখ দিয়ে তীব্র দংশন করেছি অথচ কোন রাতে মাদ্রি অজৈব সন্তান প্রসব করলো না , বিশুদ্ধ স্নান ঘরে পরিশুদ্ধভাবে স্বমেহন করছে আমার ছায়া, ছাই, ছত্রাক , ছন্নছাড়া মাথা, ছুৎমার্গ ও এক ছিলিম গাঁজার রাইলস টিউব 


(৩) মুর্ধা লিপির হাফ সাইকেল স্তন ক্যাভিটি ও ভ্যাজাইনাল চামড়ার স্যাম্পেল

ট্রিগার লাগানো টেস্টটিউব থেকে ফোঁটা ফোটা ফসফোরিক অ্যাসিড পড়ছে, নন স্পিরিচুয়াল প্র্যাকটিক্যাল কবর থেকে তুলে নেওয়া সব মৃতদেহকে দুর্গন্ধময় জীবাণুমুক্ত করা হলো। তার শরীর থেকে খসিয়ে দেওয়া হলো অপর্যাপ্ত রক্তচোষকের জীবাণু। তারপর প্যাকেট থেকে আলাদা করে দেওয়া হলো পাকযন্ত্রের সমস্ত পাইপ, সব নাচ ঘর থেকে ফুসফুসের পালমোনারি রিলসের টিভি সরে গেল পাহাড়ের উপরে নিয়ে যাওয়া হল তাদের কঙ্কাল সরিয়ে দেওয়া হলো তাদের জন্মদিনের অলংকার বিবর্জিত পীত বস্ত্র। নীল রঙের শেয়ালটি একাই পাইন গাছ থেকে নেমে রাতের বিধবা সম্প্রপাত লিখছে নাইট ফলসের সেরেবেলাম খাওয়া নেট্রাম মিউর ১২x মাথার উপর , ট্রান্স মাইগ্রেশন অফ সোল। আমি জীবিত আত্মার মতো লিখে দিচ্ছি তামাটে কড়কড় হিড়িম্বীয় লিপির অপর্যাপ্ত কোন বাসুদেব ৯ কার বর্ণাশ্রম বিষয়ক ক্ষত্রিয়দের মুর্ধালিপির উপর, এই কলার বোন থেকে হাফ সাইকেল প্লেটোনিক অনুচক্রিকার রাত্রির আধ খাওয়া নাশপাতির স্তনের উপর ঘোরাফেরা করছে অদম্য যোজন প্রক্রিয়া সেরে , বেহেস্তে রাখি পলির মজ্জারস ও স্নানাগার ধাতু
কোন মরচে পড়া জাহান্নামের যমরাজের অবহেলিত চৌকাঠ আমি নিজের তলপেটের পাশে লুকিয়ে রাখি অস্ত্রশস্ত্রের দুধ , সাদা-কালো পলিব্যাগ সেখানে আমার আগুন দিয়ে ঝলসে ওঠা মুখ দিয়ে নিঃসরণ করা তারাদের ধাতু মহাপৃথিবীর রাজলক্ষ্মীরা অন্তর্বাস আলগা করে আমার সাথেই সারারাত শীর্ষাসনে মহামৈথুনের অভিনয় করছিল , আমি বৌদ্ধিক মহা অন্তরীক্ষে নক্ষত্রদের অশরীরী সঙ্গম দেখেছি কালো চশমা পরে, ম্যাগনেসিয়াম ৩% প্রোটিন টাইম মেশিনের নক্ষত্রের মতোই পিপাসা বৃদ্ধি হতে থাকে , আমার অষ্টাদশ বর্ষীয় টেরিফিক সন্তানের পাশেই আমার ভয়ানক রজঃ ঘোর জেগে ওঠে , আমার বুক পকেট থেকে বেরিয়ে আসে বাল্মিকির অতি দূষিত বিবর্ধিত অপ্রাকৃত লিঙ্গবর্ধক দীপ্তি ক্যাণ্ডেলার কোন পেট্রোল কারখানার নজেল প্লানজার , অবৈধ যুদ্ধ বিমানটি পুড়ছে ভস্মীভূত পাউরুটি কারখানার পাশে তেল ভর্তি হিক্কা তুলতে তুলতে
এলেক্সার অফ লাইফ , অমৃত , অ্যালকেমিস্টরা গোলাকার বোতলে জমিয়ে রেখেছে বাদামী রঙের ভ্রুণ ম্যাসিভ , নষ্ট শ্মশানের ভায়াগ্রা ও পুনর্জন্মের চিত্র বিহীন ক্যাকটাস , জি স্পট , ট্রানজিসান টাইমে মৃত ব্যাঙের লিভারের পেশি নড়ে উঠছে , এক ব্রাহ্মণ মমি খুলছে 



*********************************************************************************************




নিমাই জানা

 এ সময়ের অন্যতম শক্তিশালী তরুণ কবি । রুইনান সবং পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে লিখছেন প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ :  ছায়ার মূলরোম ও  নির্জন পুরুষ অসুখ * জিরো কম্পাঙ্কের পেন্ডুলাম * ঈশ্বর ও ফারেনহাইট জ্বরের ঘোড়া * ইছামতি ঈশ্বরী ও লাল আগুনের ডিম্বকোষ * রজঃস্বলা বৃষ্টির গুণিতক সংখ্যাগুলো ব্যাবিলনের চাঁদ * জাহান্নামের বাদাম গাছ   







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন