সন্দীপ ঘোষ * দুটি কবিতা
কাল্পনিক রেখা
আমরা পাশাপাশি হাঁটছি,
আমি জানি তোমার অস্তিত্বে
আমার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ।
অবশ্যই একশো শতাংশেরও বেশি বিশ্বাসী।
প্রকৃতির ঝড়-ঝাপটায় সীমাহীন দূরত্ব
আজ ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
হাঁটছি আমরা পাশাপাশি
আমি কিন্তু আমার বিশ্বাসে অটল।
আমার বিশ্বাস আমার ভালোবাসায়--
খুব খুশি হয়, সুখ পায় আমার বিশ্বাস, যখন
তোমার চোখে চোখ রেখে কিছু পড়ে নেয়।
অশ্রুসিক্ত দু'নয়ন চাতকের দৃষ্টি পায়।
প্রেমকে যে লালন করতে পারে হৃদয়ে
সেই তো প্রকৃত বিত্তশালী।
আমার হস্তদ্বয় না জানি কখন চলে যায়--
আবদ্ধ হয় তোমার পবিত্র প্রেমের আলিঙ্গনে।
দূরত্ব তখন এক কাল্পনিক রেখা মাত্র।
বন্ধু'র পৃথিবী
এমন বন্ধু আর কে আছে-----
গায়কের গায়কীতে নিবিড় আলিঙ্গন,
গানের কথা-সুর-তাল-লয়-মাত্রা-ছন্দের আহ্বানে
অন্তপুরের হৃদয় আন্দোলিত না হলে
মস্তিষ্ক গ্রহণ করে না বন্ধুত্বের বার্তা।
লুকিয়ে থাকা গানের সুরে
বিন্দু বিন্দু ভালোবাসা দখল নেয় হৃদের,
গানই প্রাণ--- হয়ে ওঠে শুভাকাঙ্ক্ষী প্রিয়জন।
কখনো কখনো হামলে পড়ার ভয় পায় নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব।
নিরাকার অস্তিত্বের প্রশ্ন কিনা! যদি মুছে না যায়!
পরম মিত্র গান, তাই হয়ে উঠুক জীবনের জয়গান।
বন্ধু মানে তো, পরম শান্তির ঠিকানা---
বন্ধুকে আঁকড়ে বিভোর থাকে সুখস্বপ্নে।
ভালোবাসা দিলে হৃদে জেগে ওঠে আকর্ষণ,
আর পেলে সংসারীমন ভজে হরিকীর্তন।
আবার সম্পর্ক বন্ধুত্ব বয়ে বেড়ায় না,
বাহনক্রিয়ার চেতনাবোধই পারে
দুই ব্যক্তির মাঝের শুন্যতাকে ভরাট করে
বন্ধুত্বের স্বাদ এনে দিতে।
বন্ধুত্ব লালন পালন করতে পারে সম্পর্ককে।
ব্যকুলতাহীন তথা নিষ্প্রাণ রক্তের
জায়গা নেই বন্ধু'র পৃথিবীতে।





কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন