রহিত ঘোষাল * দুটি কবিতা
পেঁপে গাছের বাস্তবতা
পেঁপে গাছ বেয়ে উঠছে পোকা
চিৎ সাঁতার বোঝেনা সে
নাকের পাটা বলে দেয়
চিৎ সঙ্গম
যৌন আগ্নেয়গিরি
ঝড় তুফানে বাঁশঝাড় ভেঙে যায়
সাদা সাদা কাশবন
সূর্যাস্ত মাখে রেলের রাস্তা
পেঁপে গাছ শুধু বিদ্রুপ চিনেছে আজন্ম
পোকাটা খেয়ে খেয়ে করেছে ফুটো ফুটো
দেবতার হাতে দোতারা
বাড়ির পাশে গাছ,
গাছের থেকে আধমাইল দূরে আকাশ,
স্কুল গেটের বাইরে দারোয়ান,
ক্লাস ঘর ভর্তি অঙ্গার,
থেঁতলে যাওয়া স্বপ্ন-ধূলি,
অস্থাবর আঁকড়ে চলে রাত,
রাতের কানে কানে শ্বাসবায়ু—
শান্তিময় ঘাস, গুঁড়ো পাগলামি,
নাকি উন্মাদ ঘরের মেয়ে,
নিশ্চল, মারা গেছে অনেকক্ষণ,
বিষ দিয়েছেন নিকট আত্মীয়,
খবর কি তবে নির্বাপিত,
ক্রিয়াপদ নদীর নিচে পারদ জমায়,
সাধনার পোশাক অজানা শবের গায়,
খালপাড়ে বড় হয় ছাত্রছাত্রী,
তাদের কাছে খেলনা বলতে কাগজের বল,
কাঁধের উপর অজানা পৃথিবী,
ওরা পৃথিবীর অজানা প্রহরী,
ঘুমের ওষুধ হাঁচড়পাঁচড়—
তাপ্পি দেওয়া বস্তির বাড়ি,
তাতে সন্ধেবেলা হাড়গোড়,
তাতে রাত্রিবেলা মাংসপেশি,
দেবতার হাতে দোতারা,
মানুষের শুধু সন্দেহ ও বিষাদ
চতুর্থ বই "শরীর এক ডুবোজাহাজ"(মুক্তগদ্য)—২০২৬



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন