বিকাশ চন্দ * দুটি কবিতা
আমাদের গুহা ঘর
আমরা একসঙ্গে কাছাকাছি থাকলে
খুঁজতে থাকি কার ভেতরে কেমন থাকে ঈশ্বর
সকল খিদের ভেতর থাকে আত্মার কৌম বাসনা
ধাত্রীমাতা জানেন তিনিতো গোত্রহীন সুধা দাত্রী
তিনিই শেখাতেন আগুনে ফোটানো ভাতের গল্প
অন্নহীন সময়ে সন্তানের মুখ গলানো ফেনের স্বাদ
নিরুত্তর সময় বুঝে গেছে বয়ে যাবে জীবন সংসার
নিভৃত জন্মকাল জানেনা কোথায় আত্মার নির্বাণ
এখন প্রতিদিনই ইতিহাসের ভাঙচুর সময়ের গল্প
ঋণাত্মক ভূমিকা খোঁজে প্রার্থনা পর্বের অনুপ্রাস
আমাদের আন্তরিক অভিমান তুলট লিপিসত্র
ছায়াপত্র হয়ে গেছে বাতিল লাল ডাক বাক্সে
আশ্চর্য ফুলেদের নির্বাক মুখ শিশুদের মতো
সাবলীল সময় খোঁজে মানুষ ও নির্মোহ পাখি-গান
আমাদের চেতনা চৈতন্য ডুবেছে অগাধ নীলের টানে
আমাদের গুহা ঘরে কতটা নিরাপদ আদমশুমারী
কিছুটা সময় মানুষের জন্য
একজন মানুষ অন্তত চারবার তাকে দেখতে হয়
নিজেকে যেমন বর্ণমালা শেখায় বালক সময়
জন্ম জ্বরা ব্যধি মৃত্যু এসব প্রগাঢ় রহস্য
এখন নাকি অনির্বান সময়ের শুরু
অবনত মাধুর্য শেখায় সাজানো পটভূমি
সকল প্রকৃতি কথা চাঁদ মাটি জল নদী আলো
এসব কথা গুলিয়ে দিচ্ছে মনুসংহিতা শ্লোক
ফুলেদের বার্ষিক প্রদর্শনী সেতো শীতকালে
এখন হাওয়া বদলের টান শূন্য বাতায়নে
সহজ সমীকরণ বাঁচার সূত্র খোঁজে সিঁড়ি ভাঙা ঘর
কিছুটা সময় যদি মানুষের জন্য বাঁচে
নিষিদ্ধ শরীরে ফুটে উঠবে গাছেদের পর্ণ মকুল
মাটির ভেতরেই ছিল মানুষের মায়া জন্মের গল্প
নোনা সময়ের বাতাসে সমুদ্র বাসনা ডাকে
জল শূন্য বুকের পিপাসা বোঝে মোহনার জোয়ার
এবার বোধহয় সময় হয়েছে উত্তাল স্রোতে যাওয়া
*******************************************************************************



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন