সম্পাদকীয়
শারদীয় স্বরবর্ণ
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ * ১৩ অক্টোবর ২০২৬
দেখতে দেখতে একটা বছর ঘুরে এল। এইতো সেদিন শারদ উৎসব সমাপনান্তে প্রতিমা নিরঞ্জন হল পুকুরে নদীতে খালে কিংবা গভীর কোনো জলাশয়ে। আর তার বিষণ্ণ করুণ ছবি ফুটে উঠতে দেখলাম যেন এই তো সেদিন!
এইতো সেদিন ভাবতে ভাবতে আসলে একটার পর একটা দিন মাস বছর পেরিয়ে যায়। আমাদের মনে হওয়া না-হওয়ার কাছে কৈফিয়ৎ দেওয়ার কোনো দায় সময়ের নেই। তার বড় তাড়া। চোখের পলক ফেলতে না ফেলতে তাকিয়ে দেখি পুনরায় আশ্বিন এসে দুয়ারে কড়া নাড়ছে। খাল বিল নদী পাড়ে স্নিগ্ধ মাথা দোলাচ্ছে কাশফুল । পেঁজা তুলোর মতো মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে আকাশে। বাতাসে শিশিরের শান্ত ছোঁওয়া। শিউলি হাসছে আপন ছন্দে। সবকিছু মিলিয়ে আবার যেন একটি প্রতীক্ষা পূরণের লগ্ন সমাগত। পুজো এল। বাঙালির প্রাণের পুজো— দূর্গাপুজো। আনন্দে নেচে ওঠে আপামর বাঙালির মন। আনন্দে মেতে ওঠে একটা গোটা জাতি। তার শিরায় শিরায় প্রবাহিত হয় আনন্দ হিল্লোল।
তবে এই আনন্দের অভিব্যক্তি আপেক্ষিক। কারো কাছে তা সীমাবদ্ধ থাকে নতুন জামা কাপড়ের গন্ধে, সুখাদ্যের আঘ্রাণে কি দেদার হই-হুল্লোড়ে। কেউ-বা মগ্ন থাকে সৃষ্টির কাজে। নীরবে। নিঃশব্দে। সৃষ্টির ফুল ফোটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কবি শিল্পী সাহিত্যিকেরা।
আর তাঁদের সৃষ্টিকাজ বুকে ধরতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন পত্রিকা সম্পাদকেরা। তাই, পুজোর আগেই প্রকাশ পায় ছোট বড় নানা ধরনের, নানা বৈচিত্র্যের শারদ সংখ্যা।
গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাসে সৃষ্টির ফুল ফুটিয়ে প্রকাশ পেল শারদীয় স্বরবর্ণ ১৪৩৩।
*********************************************************************************


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন